1. live@somoyerramgarh.online : সময়ের রামগড় : সময়ের রামগড়
  2. info@www.somoyerramgarh.online : সময়ের রামগড় :
শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত বাবু কালাচাঁন দেববর্মন কে গার্ড অব অনার্র প্রদান করা হয়েছে। শান্তিবাহিনী কর্তৃক পাতাছড়া এলাকায় নিহত বাঙ্গালিদের গণহত্যার ৩৮ বছরে দোয়া ও মোনাজাত আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল পরিদর্শন করেন, চেয়ারম্যান মোঃ জিল্লুর রহমান চৌধুরী ৪৬ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ চাঁদ দেখা গেছে, জানা গেল ঈদুল আজহার দিন ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে-নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানগনকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন পৌর মেয়র। শিক্ষক ক্যাডারকে চাকুরি হতে অব্যাহতি দেওয়ার দাবী ………….. ২৩ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ-অভিযানে ৪৩ বিজিবির রামগড়    রামগড়ে গাঁজা ও ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

জুমার দিনে যেসব কাজ নিষিদ্ধ

নিজস্ব প্রতিনিধি:মাহমুদুল হাসান
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১১৪ বার পড়া হয়েছে

জুমার দিনে যেসব কাজ নিষিদ্ধ

 ধর্ম ডেস্ক

Google News
জুমার দিনে যেসব কাজ নিষিদ্ধ

ছবি: সংগৃহীত

শুক্রবার বা জুমার দিন সপ্তাহের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ও মর্যাদাপূর্ণ একটি দিন। মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা মুসলিম সমাজে এই দিনটিকে পৃথিবীর অন্যতম তাৎপর্যবহ দিবস হিসেবে বিশেষ মর্যাদায় ভূষিত করেছেন।

জুমার নামাজ প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ ও স্থায়ী মুসলমানের জন্য যথা সময়ে আদায় করা ফরজ। এদের জন্য জুমার নামাজ পড়া ফরজ এবং জুমার নামাজের আজানের পর নামাজের প্রস্তুতি ছাড়া অন্য যে কোনো কাজ করা হারাম বা নিষিদ্ধ; এ বিষয়ের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত এসেছে কোরআনে। আল্লাহ তাআলা বলেন-

‘হে ঈমানদারগণ! জুমার দিন যখন নামাজের জন্য আজান দেয়া হয়; তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে দ্রুত বেরিয়ে পড় আর সব লেনদেন (বেচাকেনা) তখন বন্ধ করে দাও।’ (সুরা জুমআ : আয়াত ৯)

ইসলামিক স্কলাররা এ ব্যাপারে একমত যে, জুমার দিন দ্বিতীয় আজানের পর যে কোনো কাজ তথা লেনদেন (কেনাবেচা) সম্পূর্ণরূপে হারাম বা নিষিদ্ধ। এ সময় যারা লেনদেন বা বেচাকেনা করে তা অবৈধ ও বাতিল বলে গণ্য হবে।

তাছাড়া অলসতা বশত জুমার নামাজে অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে কঠোরভাবে সতর্ক করেছেন বিশ্বনবী (সা.) । হাদিসে এসেছে-

‘লোকদের জুমার নামাজ ত্যাগ করা হতে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। নতুবা আল্লাহ তাআলা তাদের হৃদয়ে মোহর মেরে দেবেন। এরপর তারা অনন্তকাল ধরে অলসতায় আচ্ছন্ন থাকবে।’ (মুসলিম)

এ হাদিস থেকেও প্রমাণিত যে, জুমা আদায় করা আবশ্যক। আর এ সময় অন্য যে কোনো কাজে ব্যস্ত থাকা বিষয়টিও নিষিদ্ধের প্রমাণ বহন করে। আবার জুমার নামাজ চার শ্রেণির মানুষ ছাড়া প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরজ। সুতরাং চার শ্রেণির লোক- ক্রীতদাস, নারী, অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক ও অসুস্থ ব্যক্তি ছাড়া সব মুসলমানকেই নির্ধারিত সময়ে জুমায় উপস্থিত হওয়া আবশ্যক। কেননা যথা সময়ে নামাজ পড়ার ব্যাপারে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ-

‘নিশ্চয়ই নামাজ মুমিনের উপর নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করাকে ফরজ করা হয়েছে।’ (সুরা নিসা : আয়াত ১০৩)

মনে রাখতে হবে
এ দিন শুধু জুমার নামাজ পড়াই আবশ্যক নয়, বরং এ দিন ইমামের খুতবাহ শোনাও আবশ্যক। কেননা কোরআনুল কারিমের নির্দেশনায় নামাজের পাশাপাশি ‘আল্লাহর স্মরণ’বলতে খুতবাহ শোনার কথাই বোঝানো হয়েছে বলে ব্যাখ্যা করেছেন ইসলামিক স্কলার ও মুফাসসিরগণ।

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, যাদের জন্য জুমা আদায় করা আবশ্যক; তাদের সবাইকে প্রথম আজানের সঙ্গে সঙ্গে দেরি না করে মসজিদে চলে আসা। জুমআর খুতবাহ শোনা এবং সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করা জরুরি।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে আবশ্যক কাজ খুতবাহ শোনা এবং জুমা আদায়ের জন্য যথা সময়ে মসজিদে উপস্থিত হওয়ার তাওফিক দান করুন। কোরআনের নির্দেশনা ও হাদিসের সতর্কতা মেনে চলার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়:বাংলাদেশ হোস্টিং